CRPC_ACT_Chapter_8
শান্তি রক্ষা ও সদাচারনের মুচলেকা
1 / 58
1. প্রশ্ন০: অপরাধ দমনের জন্য কত প্রকারের মুচলেকার বিধান রয়েছে ফৌজদারি কার্যবিধিতে ?
নোট: শান্তিরক্ষার জন্য মুচলেকা ও সদাচরণের জন্য মুচলেকা।
2 / 58
2. প্রশ্ন : ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকা দেয়ার আদেশ দিতে পারেন- (অ্যাড-২০১২)
3 / 58
3. প্রশ্ন: ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে দণ্ডিত কোন ব্যক্তির শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকা দেয়ার আদেশ দিতে পারেন না-
4 / 58
4. প্রশ্ন: ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৬ ধারার অধীন দণ্ডিত হবার পর শান্তি রক্ষার জন্য দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে
5 / 58
5. প্রশ্ন: The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১০৬ ধারাবলে শান্তি রক্ষার নিমিত্তে দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারেন কে?
6 / 58
6. প্রশ্ন : দণ্ডিত হওয়ার পর শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে-
7 / 58
7. প্রশ্ন :০ দণ্ডিত ব্যক্তির জন্য শান্তিরক্ষার মুচলেকার আদেশ কোন কোন বিচারিক আদালত দিতে পারেন?
8 / 58
8. প্রশ্ন: ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন সর্বোচ্চ কত বছরের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
এখানে “সর্বোচ্চ কত বছরের” কথা বলা আছে - শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকা ১০৬ ও ১০৭ ধারা বলে দেওয়া যায় । ১০৬ ধারা বলে মুচলেকার আদেশ অনধিক বা সর্বোচ্চ ১ বছরের জন্য দেওয়া যায় । কিন্তু ১০৬ ধারা বলে মুচলেকার আদেশ অনধিক বা সর্বোচ্চ ৩ বছরের জন্য দেওয়া যায় ।
9 / 58
9. প্রশ্ন : ১০৬ ধারার অধীন অনধিক কত দিনের জন্য মুচলেকার আদেশ দেয়া যায়?
10 / 58
10. প্রশ্ন: দন্ডিত ব্যক্তির শান্তি রক্ষার মুচলেকা কতদিনের জন্য নেওয়া যায়
Note: ১০৬ ধারা অনুযায়ী দন্ডিত ব্যক্তির শান্তি রক্ষার মুচলেকা নেওয়া যায় ৩ বৎসরের জন্য জামিনদার সহ বা ব্যতীত ।
11 / 58
11. প্রশ্ন: ১০৬ ধারা অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার জন্য আদালত মুচলেকা দেওয়ার আদেশ দিবেনা-
12 / 58
12. প্রশ্ন: যে দন্ডের সাথে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকা দেওয়া হয়েছিল, সেই দণ্ডটি আপীলে বাতিল হলে, উক্ত মুচলেকা বা বগু
13 / 58
13. প্রশ্ন ০: দন্ডিত ব্যক্তি ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তিরক্ষার জন্য মুচলেকার বিধান কোন ধারায়?
14 / 58
14. প্রশ্ন : ১০৭ ধারার অধীন অনধিক কত দিনের জন্য মুচলেকার আদেশ দেয়া যায়?
নোট: ১০৭ ধারানুসারে মুচলেকার আদেশ দেওয়া যায় সর্বোচ্চ কতদিনের জন্য? ১ বছরের জন্য সর্বোচ্চ
15 / 58
15. প্রশ্ন: ১০৭ ধারা অনুযায়ী শান্তি রক্ষার মুচলেকা কতদিনের জন্য নেওয়া যায়
Note: ১০৭ ধারা অনুযায়ী শান্তি ভঙ্গ করলে বা জনগনের প্রশান্তি বিনষ্ট করলে জামিনদার সহ বা ব্যতীত অনধিক ১ বৎসরের মুচলেকা নেওয়া যায়।
16 / 58
16. প্রশ্ন : দণ্ডিত হওয়ার পর শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে-
17 / 58
17. প্রশ্ন : ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭ ধারার অধীন দণ্ডিত হবার ক্ষেত্রে ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার জন্য কোনো ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে-
18 / 58
18. প্রশ্ন: ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭ ধারার মামলা নিম্নোক্ত কোন আদালতের আদি এখতিয়ারভুক্ত [BBC-২০১২]
Note : শান্তি রক্ষা ও সদাচারনের মুচলেকার আদেশ দিতে পারেন জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট।
19 / 58
19. প্রশ্ন: ১০৭ ধারা অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর ক্ষেত্র ব্যতীত শান্তি রক্ষার জন্য আদালত মুচলেকা দেওয়ার আদেশ দিবেনা-
১০৭ ধারা অনুযায়ী (দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর ক্ষেত্র ব্যতীত) শান্তি রক্ষার জন্য আদালত মুচলেকা দেওয়ার আদেশ দিবেনা-
20 / 58
20. প্রশ্ন: ১০৭ ধারার অধীনে শান্তি রক্ষার মুচলেকা দিতে না পারার ফলে যে কারাদন্ড দেওয়া হবে তা
Note : ১০৬, ১০৭ ও ১০৮ ধারার অধীনে শান্তি রক্ষার মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হলে যে কারাদন্ড দেওয়া হয় তা বিনাশ্রম হবে । ১০৯ ও ১১০ ধারার অধীনে শান্তি রক্ষার মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হলে যে কারাদন্ড দেওয়া হয় তা হবে বিনাশ্রম বা সশ্রম্ ।
21 / 58
21. প্রশ্ন: ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী শান্তিভঙ্গের মুচলেকা নেয়া হয়?
শান্তিভঙ্গের মুচলেকা নেওয়া ১০৬ ও ১০৭ ধারাতে । কিন্তু ১০৬ ধারাতে দণ্ডিত হবার পর শান্তি রক্ষার জন্য দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে। দণ্ডিত ব্যক্তির কথা উল্লেখ না থাকে সেক্ষেত্রে শান্তিভঙ্গের মুচলেকা নেয়া হয় ১০৭ ধারা অনুযায়ী।
22 / 58
22. প্রশ্ন: ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী ১০৭ ধারার আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশনের দরখাস্ত কোন আদালতে দায়ের করতে হয়?
23 / 58
23. প্রশ্ন: সাধারণত ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭ ধারার অপরাধের জন্য প্রযোজ্য-
24 / 58
24. প্রশ্ন: ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৮ ধারার অধীন রাষ্ট্রদ্রোহমূলক বিষয় প্রচারকারী ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকার আদেশ দিতে পারে-
25 / 58
25. প্রশ্ন: Security for good behaviour from persons disseminating seditious matter - ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
(disseminating – ডিসেমিনেটিং – প্রচার করা , seditious –সেডিটাস- রাষ্ট্রদ্রোহী মূলক )
26 / 58
26. প্রশ্ন: কোনো seditious matter প্রচারকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে সদাচরণের মুচলেকার আদেশ কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট দিতে পারেন?
27 / 58
27. প্রশ্ন 0: কোনো বিচারককে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টারত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ধারানুসারে সদাচরণের মুচলেকার আদেশ দেওয়া যাবে?
বিচারকের প্রতি মানহানির সামিল অপরাধের ক্ষেত্রে কোন ধারাটি প্রযোজ্য ? উ: ১০৮ ধারা
28 / 58
28. প্রশ্ন: ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৮ ধারার অধীন সদাচরণের মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হবার কারণে প্রদত্ত কারাদণ্ড হবে।
29 / 58
29. প্রশ্ন ০: রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কতদিনের জন্য সদাচরণের মুচলেকা দেবার বিধান রয়েছে?
30 / 58
30. প্রশ্ন ০: ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে সদাচরণের মুচলেকার বিধান কোথায় আছে?
31 / 58
31. প্রশ্ন ০: Where is the provision of good conduct to the Vagrants and Suspected Persons?
32 / 58
32. প্রশ্ন: ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৯ ধারার অধীন ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সদাচরণের মুচলেকার আদেশ দিতে পারে-
33 / 58
33. প্রশ্ন: অভ্যাসগত অপরাধীদের বা habitual offender সদাচারনের জন্য কত ধারাতে মুচলেকার নিদের্শ দেওয়া হয়-
34 / 58
34. প্রশ্ন: ফৌজদারী কার্যবিধির ১১০ ধারার অধীন সদাচারণের জন্য জামানত দাখিলের আদেশ দিতে পারে অনধিক......... মেয়াদের জন্য –
35 / 58
35. প্রশ্ন o : Habitual offender ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সদাচরণের মুচলেকার সর্বোচ্চ মেয়াদ কত?
36 / 58
36. প্রশ্ন: অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচারনের জন্য কত বছরের মুচলেকার নিদের্শ দেওয়া হয়
Note : ফৌজদারী কার্যবিধির ১১০ ধারামতে অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচারনের জন্য অনধিক ৩ বছরের মুচলেকা সম্পাদনের নিদের্শ দেওয়া হয়। উল্লেখ্য ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সদাচারনের জন্য অনধিক ১ বছরের মুচলেকার আদেশ দেওয়া হয়।
37 / 58
37. প্রশ্ন: মুচলেকা বা বন্ড নেওয়ার পূর্বের নোটিশে/ দর্শানোর আদেশ কোন বিষয়টি থাকবে?
নোট: ম্যাজিস্ট্রেট ১০৭-১১০ ধারার অধীন কাজ করতে গিয়ে কারণ দর্শানোর আদেশ দিতে পারেন, উক্ত আদেশে টাকার পরিমাণ, মেয়াদ, জামিনদারের সংখ্যা, নোটিশের সারাংশ উল্লেখ থাকবে।
38 / 58
38. প্রশ্ন: মুচলেকা প্রদানের নির্দেশ সম্পর্কে কোন ধারায় বলা আছে?
39 / 58
39. প্রশ্ন: মুচলেকা (বন্ড) এর পরিমাণ
40 / 58
40. প্রশ্ন: যদি নাবালকের বিরুদ্ধে মুচলেকার আদেশ দেওয়া হয় তাহলে মুচলেকা সম্পাদন করবে-
41 / 58
41. প্রশ্ন: মুচলেকা (বন্ড) সম্পাদিত হতে পারে-
42 / 58
42. প্রশ্ন: ১১৮ ধারায় মুচলেকা প্রদানের আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে প্রতিকার-
43 / 58
43. প্রশ্ন : ১২৩ ধারা অনুসারে জামানত আদেশের পরে তা পরিশোধ না করার শাস্তি কী হতে পারে?
জামানত না দেওয়ার কারণে কারাদন্ড দেওয়া হলে তার মেয়াদ হতে পারে সর্বোচ্চ -------উ: তিন বছর
44 / 58
44. প্রশ্ন: মুচলেকা না দেওয়ায় পরিনাম কি হতে পারে?
নোট : মুচলেকা প্রদানে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে শাস্তি কি? অনধিক ৩ বছরের কারাদন্ড
45 / 58
45. প্রশ্ন 0: শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের জন্য মুচলেকা প্রদানে ব্যর্থতার বিধান কার্যবিধির কোথায়?
46 / 58
46. প্রশ্নঃ শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের জন্য মুচলেকা না দিলে পরিণাম কি?
47 / 58
47. প্রশ্নঃ মুচলেকা না দেওয়ার পরিণাম কি হতে পারে?
48 / 58
48. প্রশ্ন: ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৬ এবং ১০৭ ধারার অধীন শাস্তি রক্ষার মুচলেকা দিতে না পারার ফলে যে কারাদণ্ড দেওয়া হবে তা
49 / 58
49. প্রশ্নঃ শান্তিরক্ষার মুচলেকা/জামানত দিতে না পারার ফলে যে কারাদণ্ড দেওয়া যাবে,তা হবে -
প্রশ্ন: শান্তিরক্ষার জামানত প্রদানের ব্যর্থতায় কারাদণ্ড এর প্রকৃতি হবে কি ? উ : বিনাশ্রম
50 / 58
50. প্রশ্ন: ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৯ এবং ১১০ ধারার অধীন সদাচরণের মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হবার কারণে প্রদত্ত কারাদণ্ড হবে।
51 / 58
51. প্রশ্ন 0 : জামানত প্রদানে ব্যর্থতায় কারারুদ্ধ ব্যক্তিকে মুক্তিদানের ক্ষমতা রয়েছে কার?
52 / 58
52. প্রশ্ন 0 : জামানত প্রদানে ব্যর্থতায় কারারুদ্ধ ব্যক্তিকে মুক্তিদানের বিধান কোথায় বলা আছে?
53 / 58
53. প্রশ্ন: কোন আদালত শান্তি রক্ষা অথবা সদাচরনের মুচলেকার আদেশ বাতিল করতে পারে
Note : ম্যাজিস্ট্রেটের মুচলেকার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায় । শান্তি রক্ষা ও সদাচারনের মুচলেকা বাতিল করতে পারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট । সংশ্লিষ্ঠ ব্যক্তি মুচলেকা না দিলে জামানত খেলাপের দায় আদালত তাকে অনধিক ৩ বছরের কারাদন্ড দিতে পারে । এ কারাদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না তবে রিভিশন করা যায় ।
54 / 58
54. প্রশ্ন: শান্তি রক্ষা অথবা সদাচরণের মুচলেকার আদেশ বাতিল করতে পারে-
55 / 58
55. প্রশ্ন: শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা বাতিল করতে পারে
56 / 58
56. প্রশ্ন: শান্তি রক্ষা অথবা সদাচরণের মুচলেকার জন্য জামিনদারকে অব্যাহতি দিতে পারে-
57 / 58
57. প্রশ্ন: ১১০ ধারা অনুযায়ী কোন ধরনের স্বভাবজাত অপরাধীর মুচলেকা নেওয়া যায়
Note : ১১০ ধারা অনুযায়ী অভ্যাসগত দস্যু, চোর বা জালিয়াত, অভ্যাসগত চোরইমাল ও চোরদের আশ্রয় দানকারী, লোক অপহরণ বা সম্পত্তি গ্রহনকারী স্বভাবজাত অপরাধীদের মুচলেকা নেওয়া যায়। এক্ষেত্রে জামিনদার সহ অনধিক ৩ বৎসরের মুচলেকা নেওয়া যায়।
58 / 58
58. প্রশ্ন: কোনটি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারভুক্ত নয়
Note : নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কার্যবিধির ১০৭-১১০ ধারা অনুযায়ী শান্তি রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তির বিরুদ্ধে জরিমানাসহ বা ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন। ১৪৪ ধারার অধীনে নিরাপত্তা ও জনশান্তির জন্য কোনব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন কার্য হইতে বিরত থাকার নির্দেশ দিতে পারে । এছাড়াও ১৪৫ ধারায় জমি বা পানির দখল বিষক বিরোধ সংক্রান্ত বিষয়ে যথাযথ আদেশ দিতে পারেন। উল্লেখ্য আসামীর বিবৃতি ও দোষ স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এর আওতাভুক্ত ।
Your score is
©2021 All Rights Reserved By Monon Cadet Admission